বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা, যারা 71-এ মুক্তিযুদ্ধ হবে, এটা আজ করতে পারে নাই; এবারও বুদ্ধিজীবীরা ফেল মারছে। এখন এটা হচ্ছে যে, এটা একেবারেই হচ্ছে—বুদ্ধিবৃত্তিক প্লাটফর্মের মত হয়ে গেছে। আমি আসলে আছি, হচ্ছে যে, কি বলা যায়—ত্রিশঙ্কু দশা বলতে যেটা আছে, ওইটাই মানে; না, বুদ্ধিজীবৃত্তিক জায়গাতে আছি, না, রাজনৈতিক জায়গাতে আছি। আছি লিয়াজতে। তো বলতো, ওই এই দুইটা জায়গাতে অনেক রকম মানে, এখানে আমি তো বেশি সৌভাগ্য হয় নাই অনেকের কথা শোনার। যেসব কথা শুনতেছি, ওই মাঠের ভিতরে পরিস্থিতি, গভমেন্টের ভিতরে পরিস্থিতি, পলিটিক্যাল সার্কেলের ভিতরে পরিস্থিতি এবং আরো অনেক জায়গাতে তিন, চারটা জায়গাতে। পরিস্থিতি কোনটার সাথে কোন মিল নাই; মিল নাই কেন? আমি বলি, আমি বলছিলাম, এই কথাটা শেষে বলবো যে, ওই সফা সাহেব একটা কথা বলে গেছে। যে, বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা যে 71 মুক্তিযুদ্ধ, এটা আজ করতে পারে নাই, এবারও বুদ্ধিজীবীরা ফেল মারছে। তো, আমি বলব যে, এই ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, এই এইটাকে বুঝা আসলে সময়ের সন্তান বলতে একটা আইডিয়া আছে। সময়টাকে বুঝা, এটা হচ্ছে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যে, আমরা সময়ের ভিতরে কিভাবে সক্রিয় হব এবং আমরা কিভাবে সময়টাকে ধরবো? আমি যদি বলি যে, আমাদের এখানে যে সার্কেলটা বেসিক্যালি, এটা আমাদের একার কৃতিত্ব না। অবশ্যই, কিন্তু যেই গাঠনিক শক্তি ছিল, ওই গাঠনিক শক্তির ভিতরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ছিল—যে ভাবাদর্শিক বুঝাপড়া। এখন ধরেন, না, আপনার আমরা বলতেছি, একটা পোস্ট ইডিওলজিক্যাল সিচুয়েশনে আছি। আমাদের কোন ওইভাবে, আমরা একটা তুহিন এখানে বলে গেল যে, নির্দলীয় বলতে কি বুঝাচ্ছে? বাট, অথবা এটাই নতুন কিনা, রাজনীতি কিনা, নতুনভাবে বা আরো অনেকে অনেক কিছু বলছে।
**বাট** মূলত হচ্ছে যে, আমাদেরকে লড়তে হয়েছে কিসের বিরুদ্ধে? এটা আসলে আমাদের বুঝতে হবে প্রথমত এবং আসলে সামনের লড়াইটার সাথে গণঅভ্যুথানের যে ধরেন, না, আপনার হচ্ছে দুই, তিন সপ্তাহ যে সময়টা শ্বাসরুদ্ধকর, যে সময়টা। অথবা এর আগে, পরে আরো কিছুদিন যদি বর্ধিত করি। অথবা, অনেকেই বলতেছেন, এখনো কোন অভ্যুত্থান পরিস্থিতি। আমিও মনে করি। তো, এই সময়টায় আসলে আমরা কি ধরনের বাবাদশিক লড়াইটা করছি, এটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এইটা ঠিক করে দিবে বাংলাদেশের সামনের রাজনীতি। আমরা বলতেছি, এটা একটা পোস্ট ইডিওলজিক্যাল সিচুয়েশন। **মিন্স** কি? বলতো, আমি বলতেছি যে, আপনার হচ্ছে ইডিওলজিক্যাল কোশ্চেন।
গুরুত্ব, ইডিওলজিক্যাল কোশ্চেনটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আজম স্যার, আজম স্যারের লেখায় দেখাইছেন যে, ভাষাগত এজমালি, ভাষা, ভাষাগত কোশ্চেনটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং আপনার এখানে জনগণ যে ক্যাটাগরি, এটা কিভাবে গঠিত হইলো, এটার একটা গুরুত্ব ছিল। এখন ধরেন, আপনি, এই যে, ছোট ছোট সোভিয়েতগুলো ছিল এতদিন। একেকজন, এখন এখানে ধরেন, আমি খুব, বোধহয় এখানে 80% লোকরে আমি পার্সোনালি চিনি। মানে, চিনি বলতে, তাদেরকে আমি জানি যে, লোকেট করতে পারবো যে, কে কোন ইডিওলজিক্যাল পজিশনে, কে কোন কালচারাল পজিশনে বিলং করে। কিন্তু, তারা সবাই এখানে একযোগ হয়ে আছেন। এখন এখান থেকে আসলে সামনের কোশ্চেনটা কি হবে? সেটা হচ্ছে, ইডিওলজিক্যাল তর্কটা আসলে কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে?